এর লক্ষ্য হলো বড় মুভমেন্ট ধরে ছোট ওঠানামার পরিবর্তে বড় লাভ করা।
১. সুইং ট্রেডিং কী?
- পজিশন সাধারণত 2–10 দিন ধরে রাখা হয়
- ছোট ওঠানামা এড়িয়ে ট্রেন্ডের বড় অংশ ধরে লাভ নেওয়া হয়
- মূল ফোকাস হলো মধ্যম মেয়াদী ট্রেন্ড এবং মোমেন্টাম
উদাহরণ: EURUSD ক্রয় 1.1000 → এক সপ্তাহ পর 1.1150 এ বিক্রি।
২. সুইং ট্রেডিংয়ের সুবিধা
1. ডে ট্রেডিং বা স্ক্যাল্পিংয়ের চেয়ে কম চাপ
2. বড় মুভমেন্ট ধরে লাভের সুযোগ
3. স্টপলস তুলনামূলকভাবে বড় রাখা যায়
4. মাঝারি সময়ে বাজার বিশ্লেষণ সহজ
৩. সুইং ট্রেডিং স্ট্র্যাটেজি
৩.১ টাইমফ্রেম নির্বাচন
- 4H, Daily চার্ট সবচেয়ে কার্যকর
- ট্রেন্ড এবং মূল লেভেল স্পষ্ট বোঝা যায়
৩.২ ট্রেন্ড শনাক্তকরণ
- MA (50/200) ব্যবহার করে প্রধান ট্রেন্ড বোঝা
- MACD দিয়ে ক্রসওভার এবং শক্তি চেক
৩.৩ এন্ট্রি পয়েন্ট
- সাপোর্ট বা রেজিস্ট্যান্স লেভেলে কনফার্মেশন
- Fibonacci Retracement ব্যবহার করে মূল রিট্রেস লেভেলে এন্ট্রি
৩.৪ স্টপলস ও টেক প্রফিট
- স্টপলস ± 30–50 পিপস (মার্কেট ভলাটিলিটি অনুযায়ী)
- টেক প্রফিট ± 50–150 পিপস (বড় ট্রেন্ড ধরার লক্ষ্য)
৩.৫ ইন্ডিকেটর সংমিশ্রণ
- RSI/ Stochastic → ওভারবট/ওভারসোল্ড চেক
- Volume → ট্রেন্ডের শক্তি যাচাই
৪. সুইং ট্রেডিং টিপস
1. বড় ট্রেন্ডকে ধরার চেষ্টা করুন → ছোট ওঠানামা এড়াতে সাহায্য করে
2. মার্কেট নিউজ মনিটর করুন → বড় ইভেন্টে ভলাটিলিটি বাড়তে পারে
3. স্টপলস ও পজিশন সাইজ সুইং ট্রেডিংয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ
4. ডেমো প্র্যাকটিস → বাজার বোঝা এবং কৌশল পরীক্ষা করা
- সুইং ট্রেডিং হলো মাঝারি মেয়াদী ট্রেডিং, যেখানে বড় মুভমেন্ট ধরে লাভ নেওয়া হয়
- MA, Fibonacci, Support/Resistance, RSI এবং Volume মিলিয়ে ব্যবহার করলে সিগন্যাল শক্তিশালী হয়
- স্টপলস এবং টেক প্রফিট ঠিক রেখে ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হয়
- ধৈর্য এবং পরিকল্পনা সুইং ট্রেডিংয়ে সফলতার চাবিকাঠি
টিপ: সুইং ট্রেডিং শুরু করার আগে ডেমো বা ছোট অ্যাকাউন্টে কৌশল প্র্যাকটিস করুন। এতে আপনি মার্কেটের বড় মুভমেন্ট এবং ঝুঁকি বোঝার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারবেন।
📢 শেয়ার করুন ও সাবস্ক্রাইব করুন
এই গাইডটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন যারা ট্রেডিং শিখতে চান!
🔔 সাবস্ক্রাইব করুন নতুন পোস্টের আপডেট পেতে।

Social Plugin