স্ক্যাল্পিংয়ের মতো হলেও, ডে ট্রেডিং সাধারণত বড় টাইমফ্রেমে মুভমেন্ট কাজে লাগায় এবং লাভের লক্ষ্য তুলনামূলকভাবে বেশি হয়।
১. ডে ট্রেডিং কী?
- সমস্ত ট্রেড এক দিনের মধ্যে বন্ধ হয়
- পজিশন রাতভর ধরে রাখা হয় না → রাতের ঝুঁকি এড়ানো যায়
- মূল লক্ষ্য: ইন্ট্রাডে ট্রেন্ড এবং ছোট ওঠানামা কাজে লাগানো
উদাহরণ: EURUSD 09:00 AM এ ক্রয় → 03:00 PM এ বিক্রি।
২. ডে ট্রেডিংয়ের সুবিধা
1. রাতের ঝুঁকি নেই → সুইং ট্রেডের তুলনায় নিরাপদ
2. দ্রুত লাভের সুযোগ
3. বাজারের ছোট ওঠানামা কাজে লাগানো যায়
4. স্টপলস ছোট রাখা সম্ভব
৩. ডে ট্রেডিং স্ট্র্যাটেজি
৩.১ টাইমফ্রেম নির্বাচন
- 5 মিনিট, 15 মিনিট বা 30 মিনিট চার্ট
- ছোট এবং মাঝারি মুভমেন্ট উভয়ই দেখা যায়
৩.২ ট্রেন্ড ফিল্টার
- Moving Average (MA):
- দাম MA এর উপরে → বুলিশ ট্রেন্ড
- দাম MA এর নিচে → বেয়ারিশ ট্রেন্ড
৩.৩ এন্ট্রি পয়েন্ট
- সাপোর্ট বা রেজিস্ট্যান্স থেকে ক্যান্ডেলস্টিক প্যাটার্ন মিলিয়ে এন্ট্রি
- ব্রেকআউট: দাম রেজিস্ট্যান্স ভেঙেছে → ক্রয়, সাপোর্ট ভেঙেছে → বিক্রি
৩.৪ স্টপলস ও টেক প্রফিট
- স্টপলস ± 10–20 পিপস
- টেক প্রফিট ± 20–50 পিপস (ট্রেন্ডের শক্তি অনুযায়ী)
৩.৫ মোমেন্টাম ইন্ডিকেটর
- RSI বা Stochastic দিয়ে ওভারবট/ওভারসোল্ড চেক
- MACD দিয়ে ট্রেন্ড পরিবর্তন বা ক্রসওভার কনফার্মেশন
৪. ডে ট্রেডিং টিপস
1. ভলাটিলিটি এবং লিকুইডিটি: EURUSD, GBPUSD, USDJPY ভালো থাকে
2. টাইম সেশন: লন্ডন এবং নিউইয়র্ক সেশন সবচেয়ে কার্যকর
3. মনোযোগ: ডে ট্রেডিং দ্রুত সিদ্ধান্ত চায়, মনোযোগ হারালে ক্ষতি হতে পারে
4. ডেমো ট্রেডিং: নতুনদের জন্য প্র্যাকটিস আবশ্যক
- ডে ট্রেডিং হলো এক দিনের মধ্যে এন্ট্রি ও এক্সিট করে লাভ নেওয়ার কৌশল
- MA, Support/Resistance, RSI/MACD মিলিয়ে ব্যবহার করলে সিগন্যাল শক্তিশালী হয়
- স্টপলস ও টেক প্রফিট ছোট রাখা ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে
- দ্রুত সিদ্ধান্ত এবং মার্কেট মনিটর করা সফলতার চাবিকাঠি
টিপ: ডেমো একাউন্টে প্রথমে ইন্ট্রাডে স্ট্র্যাটেজি প্র্যাকটিস করুন। এতে আপনি জানতে পারবেন কোন সেশন, কোন মুদ্রা জোড়া এবং কোন টুল সবচেয়ে কার্যকর।
📢 শেয়ার করুন ও সাবস্ক্রাইব করুন
এই গাইডটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন যারা ট্রেডিং শিখতে চান!
🔔 সাবস্ক্রাইব করুন নতুন পোস্টের আপডেট পেতে।


Social Plugin