মূল ধারণা:
ভোলাটিলিটি (Volatility) এবং গতি/গতিবেগ (Momentum) হলো ট্রেডিংয়ের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এগুলো বাজারের শক্তি ও সম্ভাব্য দিক বোঝার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- ভোলাটিলিটি: বাজারের মূল্যের ওঠা-নামার পরিমাণ বা হার।
- Momentum: বাজারের চলমান গতির শক্তি, যে দিকেই বাজার চলছে, সেটার তীব্রতা।
1. Volatility (ভোলাটিলিটি):
- বাজারে দাম দ্রুত ওঠানামা করলে → High Volatility।
- দাম ধীরে ধীরে ওঠে বা নেমে → Low Volatility।
- কারণ: গুরুত্বপূর্ণ নিউজ, অর্থনৈতিক রিপোর্ট, বড় ট্রেডারদের কার্যক্রম।
প্রয়োগ:
- High Volatility → বেশি লাভের সুযোগ কিন্তু ঝুঁকিও বেশি।
- Low Volatility → ছোট, স্থির লাভের সুযোগ।
2. Momentum (মোমেন্টাম):
- Momentum হলো বাজারের ট্রেন্ডের শক্তি।
- বেশি Momentum → শক্তিশালী ট্রেন্ড → ট্রেন্ড ফলো করা সুবিধাজনক।
- কম Momentum → দুর্বল ট্রেন্ড → সতর্ক থাকতে হবে।
প্রয়োগ:
- Strong Uptrend + High Momentum → Buy / Long সুবিধাজনক।
- Strong Downtrend + High Momentum → Sell / Short সুবিধাজনক।
- Momentum কম থাকলে → বাজারের রিভার্সাল বা Consolidation সম্ভাবনা।
Momentum ও Volatility বোঝার উপায়:
1. Indicators ব্যবহার:
o RSI (Relative Strength Index) → Overbought / Oversold চিহ্নিত করতে।
o MACD (Moving Average Convergence Divergence) → Trend এবং Momentum দেখার জন্য।
o ATR (Average True Range) → Volatility মাপার জন্য।
2. Price Action বিশ্লেষণ:
o বড় ক্যান্ডেল এবং দ্রুত ওঠানামা → High Volatility।
o ছোট ক্যান্ডেল, সীমিত ওঠানামা → Low Volatility।
উদাহরণ:
- EUR/USD বাজারে ১ ঘণ্টার ক্যান্ডেল প্রতি ৫০ পিপস ওঠানামা করছে → High Volatility।
- RSI দেখাচ্ছে Overbought → Uptrend momentum শক্তিশালী কিন্তু রিভার্সালের সম্ভাবনা আছে।
- ট্রেডার পরিকল্পনা অনুযায়ী Buy/Long করতে পারে, তবে Stop Loss সতর্কভাবে রাখতে হবে।
মূল টিপস:
1. Volatility বেশি হলে Position Size ছোট রাখুন।
2. Momentum নির্দেশ করে Trend কে ফলো করা সহজ।
3. Indicators + Price Action একত্রে বিশ্লেষণ করলে সঠিক ট্রেডিং সিদ্ধান্ত সহজ হয়।
4. বাজারের শক্তি ও গতিবেগ বুঝে ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ করুন।
📢 শেয়ার করুন ও সাবস্ক্রাইব করুন
এই গাইডটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন যারা ট্রেডিং শিখতে চান!
🔔 সাবস্ক্রাইব করুন নতুন পোস্টের আপডেট পেতে।


Social Plugin