মার্কেটের মূল আন্দোলন বোঝার জন্য ট্রেন্ড এবং মুভমেন্ট সম্পর্কে ধারণা থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ট্রেন্ড হলো বাজারের মূল দিক বা প্রবণতা যেখানে মূল্য ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি বা হ্রাস পায়।
- আপট্রেন্ড (Uptrend): বাজারে ক্রমবর্ধমান উচ্চতা ও নিম্নতা দেখা যায়।
- ডাউনট্রেন্ড (Downtrend): বাজার ক্রমাগত কমতে থাকে, প্রতি নতুন নিম্নতা পূর্বের চেয়ে নিচে।
- সাইডওয়েজ / কনসোলিডেশন (Sideways / Consolidation): বাজারে স্পষ্ট ট্রেন্ড নেই, দাম দুলছে সীমিত পরিসরে।
মূল লক্ষ্য: ট্রেন্ড চিহ্নিত করা যাতে আমরা বাজারের দিক অনুযায়ী ট্রেড করতে পারি।
ট্রেন্ডের উপাদান:
1. উচ্চতা ও নিম্নতা (Highs & Lows):
o আপট্রেন্ডে, প্রতিটি নতুন উচ্চতা পূর্বের চেয়ে বেশি এবং প্রতিটি নিম্নতা পূর্বের চেয়ে বেশি।
o ডাউনট্রেন্ডে, প্রতিটি নতুন নিম্নতা পূর্বের চেয়ে কম এবং প্রতিটি উচ্চতা পূর্বের চেয়ে কম।
2. ট্রেন্ডলাইন:
o আপট্রেন্ডে, নিচের দিক থেকে লাইন টেনে সমর্থন চিহ্নিত করা হয়।
o ডাউনট্রেন্ডে, উপরের দিক থেকে লাইন টেনে রেজিস্ট্যান্স চিহ্নিত করা হয়।
3. মুভমেন্টের গতি (Momentum):
o কেবল দিক নয়, বাজারের গতিও গুরুত্বপূর্ণ। দ্রুত ওঠানামা মানে শক্তিশালী ট্রেন্ড।
প্র্যাকটিক্যাল অ্যাপ্লিকেশন:
- ট্রেন্ড ফলো করা: “দিকের সাথে মিলিয়ে চলা” সবচেয়ে নিরাপদ স্ট্রাটেজি।
- রিভার্সাল স্পট করা: ট্রেন্ডের পরিবর্তন চিহ্নিত করে এন্ট্রি ও এক্সিট পয়েন্ট।
- রিস্ক ম্যানেজমেন্ট: ট্রেন্ড অনুযায়ী স্টপ লস ও টার্গেট ঠিক করা।
উদাহরণ:
- যদি EUR/USD চার্টে নতুন উচ্চতা পূর্বের চেয়ে বেশি এবং নিম্নতাও উপরের দিকে চলে, তাহলে ট্রেডার আপট্রেন্ডে লং পজিশন নিতে পারে।
- ডাউনট্রেন্ডে, শর্ট পজিশন সুবিধাজনক।
মূল শিক্ষা:
- ট্রেন্ড হলো বাজারের মৌলিক দিকনির্দেশ।
- সঠিক ট্রেন্ড চিহ্নিত করলে ঝুঁকি কমানো যায় এবং লাভের সুযোগ বাড়ে।
- বাজারের ছোট দুলাবাজি এড়িয়ে মূল ট্রেন্ড অনুযায়ী ট্রেড করা ট্রেডিং সাফল্যের মূল চাবিকাঠি।
📢 শেয়ার করুন ও সাবস্ক্রাইব করুন
এই গাইডটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন যারা ট্রেডিং শিখতে চান!
🔔 সাবস্ক্রাইব করুন নতুন পোস্টের আপডেট পেতে।

Social Plugin