১. ভলিউম (Volume) কী?
ভলিউম হলো একটি নির্দিষ্ট সময়ে কতটি ট্রেড বা লট পরিবর্তিত হয়েছে তার পরিমাপ।
- বেশি ভলিউম → শক্তিশালী মার্কেট মুভমেন্ট
- কম ভলিউম → দুর্বল বা সন্দেহজনক ট্রেন্ড
ভলিউমের ব্যবহার
1. ট্রেন্ড কনফার্মেশন:
o ট্রেন্ড বৃদ্ধির সময় ভলিউম বাড়ছে → শক্তিশালী ট্রেন্ড
o ট্রেন্ডের বিপরীতে ভলিউম → দুর্বল বা সম্ভাব্য রিভার্সাল
2. ব্রেকআউট চেক:
o সাপোর্ট/রেজিস্ট্যান্স ভাঙার সময় ভলিউম বেশি হলে ব্রেকআউট বৈধ
টিপ: ভলিউম লেভেল দেখে বুঝুন মার্কেট কতটা শক্তিশালী এবং ট্রেডে কতটা আত্মবিশ্বাস রাখা যায়।
২. ভোলাটিলিটি (Volatility) কী?
ভোলাটিলিটি হলো দামের ওঠানামার মাত্রা।
- উচ্চ ভোলাটিলিটি → দাম দ্রুত ওঠে-নেমে, ঝুঁকি বেশি
- কম ভোলাটিলিটি → দাম স্থিতিশীল, ছোট মুভমেন্ট
ভোলাটিলিটি মাপার উপায়
1. ATR (Average True Range) ইন্ডিকেটর
2. Bollinger Bands
3. Historical Price Range
ভোলাটিলিটির ব্যবহার
- স্টপলস এবং টেক প্রফিট স্থাপন
- ট্রেডিং স্টাইল ঠিক করা:
- স্ক্যাল্পার → উচ্চ ভোলাটিলিটি পছন্দ
- সুইং ট্রেডার → মাঝারি ভোলাটিলিটি
৩. ভলিউম ও ভোলাটিলিটি একসাথে ব্যবহার
1. ব্রেকআউট চেক:
o দাম রেজিস্ট্যান্স ভেঙেছে + ভলিউম বেড়েছে → শক্তিশালী ব্রেকআউট
2. ফেক ব্রেকআউট এড়ানো:
o দাম উঁচু বা নিচু হচ্ছে + ভলিউম কম → ফেক ব্রেকআউট সম্ভাবনা বেশি
3. ট্রেন্ডের স্থায়িত্ব বোঝা:
o উচ্চ ভলিউম + স্থায়ী ভোলাটিলিটি → ট্রেন্ড দীর্ঘস্থায়ী
৪. টিপস
1. ভলিউম সবসময় বাজারের শক্তি দেখায়
2. ভোলাটিলিটি ঝুঁকি এবং ট্রেডিং স্টাইল নির্ধারণে সাহায্য করে
3. অন্য ইন্ডিকেটরের সঙ্গে মিলিয়ে ব্যবহার করলে সিদ্ধান্ত আরও নির্ভরযোগ্য হয়
- ভলিউম: বাজারের শক্তি এবং ট্রেন্ডের বৈধতা বোঝায়
- ভোলাটিলিটি: বাজারের ওঠানামা ও ঝুঁকি নির্দেশ করে
- একসাথে ব্যবহার করলে ব্রেকআউট, ফেক সিগন্যাল এবং ট্রেন্ডের স্থায়িত্ব বোঝা সহজ হয়
টিপ: নতুন ট্রেডাররা ডেমো একাউন্টে ভলিউম ও ভোলাটিলিটি মনিটর করতে পারেন। এতে তারা বুঝতে পারবেন বাজারের শক্তি এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি।
📢 শেয়ার করুন ও সাবস্ক্রাইব করুন
এই গাইডটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন যারা ট্রেডিং শিখতে চান!
🔔 সাবস্ক্রাইব করুন নতুন পোস্টের আপডেট পেতে।


Social Plugin