সঠিকভাবে সাপোর্ট ও রেজিস্ট্যান্স বোঝা ট্রেডারকে এন্ট্রি, এক্সিট এবং স্টপ লস ঠিক করতে সাহায্য করে।
১. সাপোর্ট (Support)
১.১ সাপোর্ট কী?
সাপোর্ট হলো একটি প্রাইস লেভেল যেখানে দাম নিচে গিয়ে থেমে যায়।
- এই লেভেলে ক্রেতারা ক্রয় শুরু করে
- প্রাইস আর নিচে যেতে পারে না
উদাহরণ: EURUSD 1.1000 এ কয়েকবার নেমেছে কিন্তু প্রতিবার উপরে ফিরে গেছে। তাহলে 1.1000 হলো সাপোর্ট লেভেল।
১.২ সাপোর্টের ধরন
1. স্ট্যাটিক সাপোর্ট: পূর্ববর্তী লো প্রাইস লেভেল
2. ডাইনামিক সাপোর্ট: মুভিং অ্যাভারেজ বা ট্রেন্ডলাইন দ্বারা তৈরি
২. রেজিস্ট্যান্স (Resistance)
২.১ রেজিস্ট্যান্স কী?
রেজিস্ট্যান্স হলো একটি প্রাইস লেভেল যেখানে দাম উপরে গিয়ে আটকে যায়।
- এই লেভেলে বিক্রেতারা বিক্রি শুরু করে
- প্রাইস আর উপরে উঠতে পারে না
উদাহরণ: GBPUSD 1.2500 এ কয়েকবার গেছে কিন্তু উপরে যেতে পারেনি। তাহলে 1.2500 হলো রেজিস্ট্যান্স লেভেল।
২.২ রেজিস্ট্যান্সের ধরন
1. স্ট্যাটিক রেজিস্ট্যান্স: পূর্ববর্তী হাই প্রাইস লেভেল
2. ডাইনামিক রেজিস্ট্যান্স: ট্রেন্ডলাইন বা মুভিং অ্যাভারেজ
৩. সাপোর্ট ও রেজিস্ট্যান্সের ব্যবহার
1. এন্ট্রি পয়েন্ট:
o দাম সাপোর্টে পৌঁছালে ক্রয়
o দাম রেজিস্ট্যান্সে পৌঁছালে বিক্রি
2. স্টপ লস স্থাপন:
o ক্রয় ট্রেডে স্টপলস = সাপোর্টের নিচে
o বিক্রয় ট্রেডে স্টপলস = রেজিস্ট্যান্সের উপরে
3. ট্রেন্ড শনাক্ত করা:
o ধারাবাহিক হাই/লো চিহ্নিত করে ট্রেন্ড বোঝা যায়
4. ব্রেকআউট ট্রেডিং:
o সাপোর্ট বা রেজিস্ট্যান্স ভাঙলে শক্তিশালী মুভমেন্ট হতে পারে
- সাপোর্ট: দাম নিচে গেলে ক্রেতাদের চাপ
- রেজিস্ট্যান্স: দাম উপরে গেলে বিক্রেতাদের চাপ
- সঠিক চিহ্নিত করা: ট্রেডিংয়ে সঠিক এন্ট্রি, এক্সিট এবং স্টপলস স্থাপন সহজ করে
- ট্রেন্ড ও ব্রেকআউট বোঝা: বাজারের পরবর্তী দিক অনুমান করা সম্ভব
টিপ: নতুনদের জন্য চার্টে আগের লো এবং হাই দেখেই সাপোর্ট ও রেজিস্ট্যান্স মার্ক করা সহজ।
📢 শেয়ার করুন ও সাবস্ক্রাইব করুন
এই গাইডটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন যারা ট্রেডিং শিখতে চান!
🔔 সাবস্ক্রাইব করুন নতুন পোস্টের আপডেট পেতে।

Social Plugin