মার্কেট টার্নিং পয়েন্ট (Market Turning Point) হলো সেই সময় বা স্তর যেখানে বাজার এক ট্রেন্ড থেকে অন্য ট্রেন্ডে পরিবর্তিত হয়। সাধারণত এটি ঘটে ট্রেন্ডের চূড়ান্ত পর্যায়ে, যেখানে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের চাপ সমান হয় এবং বাজার নতুন দিক নির্দেশ করতে শুরু করে।
মূল ধারণা:
- টার্নিং পয়েন্ট হলো বাজারের মূল পরিবর্তন সূচক।
- সঠিকভাবে চিহ্নিত করা গেলে ট্রেডার লাভজনক এন্ট্রি বা এক্সিট নিতে পারে।
মার্কেট টার্নিং পয়েন্ট চিহ্নিত করার উপায়:
1. ক্লাসিকাল চার্ট প্যাটার্নস
o হেড অ্যান্ড শোল্ডারস (Reversal pattern)
o ডাবল টপ / ডাবল বটম
o ট্রায়াঙ্গেল ব্রেকআউট
2. ক্যান্ডেলস্টিক প্যাটার্নস
o রিভার্সাল লাইট / শ্যাডো বিশ্লেষণ
o হ্যামার, ইনভার্টেড হ্যামার, শুটিং স্টার ইত্যাদি
3. ভলিউম বিশ্লেষণ
o টার্নিং পয়েন্টে সাধারণত ভলিউম বৃদ্ধি পায়।
o কম ভলিউমে প্যাটার্ন ভাঙা কখনও বিশ্বাসযোগ্য হয় না।
4. ইন্ডিকেটর ও অস্ট্রেসটিকস
o RSI, MACD, Stochastic Oscillator ইত্যাদি Overbought / Oversold সংকেত দিতে পারে।
o Divergence ট্রেন্ডের শেষের দিকে টার্নিং পয়েন্ট নির্দেশ করতে পারে।
প্র্যাকটিক্যাল অ্যাপ্লিকেশন:
- রিভার্সাল এন্ট্রি:
- যদি বাজার আপট্রেন্ডের শেষ পর্যায়ে থাকে এবং টার্নিং পয়েন্ট দেখা যায়, ট্রেডার শর্ট পজিশন নিতে পারেন।
- ডাউনট্রেন্ডের শেষ পর্যায়ে টার্নিং পয়েন্ট হলে লং পজিশন নেওয়া যায়।
- স্টপ লস ও প্রফিট টার্গেট:
- টার্নিং পয়েন্টের উপরে বা নিচে স্টপ লস রাখা ঝুঁকি কমায়।
- প্রফিট টার্গেট হিসাবেও ব্যবহার করা যায়।
উদাহরণ:
- EUR/USD চার্টে হেড অ্যান্ড শোল্ডারস প্যাটার্ন সম্পূর্ণ হওয়ার পর দাম উর্ধ্বমুখী ট্রেন্ড থেকে নিম্নমুখী ট্রেন্ডে পরিবর্তিত হয়। এই অবস্থায় শর্ট এন্ট্রি লাভজনক।
- একইভাবে, ডাবল বটমের পর দাম পুনরায় বৃদ্ধি পেতে পারে, লং এন্ট্রি সুযোগ সৃষ্টি করে।
মূল শিক্ষা:
- মার্কেট টার্নিং পয়েন্ট চিহ্নিত করা ট্রেডিং এ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কৌশল।
- এটি ট্রেন্ড পরিবর্তনের সময় সঠিক এন্ট্রি ও এক্সিট নির্ধারণে সাহায্য করে।
- ভলিউম, প্যাটার্ন এবং ইন্ডিকেটরের সংমিশ্রণ ব্যবহার করে নির্ভুল টার্নিং পয়েন্ট চিহ্নিত করা যায়।
📢 শেয়ার করুন ও সাবস্ক্রাইব করুন
এই গাইডটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন যারা ট্রেডিং শিখতে চান!
🔔 সাবস্ক্রাইব করুন নতুন পোস্টের আপডেট পেতে।

Social Plugin