১. MACD কী?
MACD হলো একটি মুভিং অ্যাভারেজ ভিত্তিক ইন্ডিকেটর যা দুটি EMA (Exponential Moving Average) এর পার্থক্য দেখায়।
- ট্রেন্ডের শক্তি এবং দিক বোঝার জন্য ব্যবহার হয়
- নতুন ট্রেন্ড বা ট্রেন্ড পরিবর্তনের সংকেত দেয়
MACD-এর প্রধান অংশ
1. MACD লাইন: ছোট EMA – বড় EMA
2. সিগন্যাল লাইন: MACD লাইনের 9-পিরিয়ড EMA
3. হিস্টোগ্রাম: MACD লাইন এবং সিগন্যাল লাইনের পার্থক্য
২. MACD কিভাবে কাজ করে?
২.১ ক্রসওভার
- বুলিশ ক্রসওভার: MACD লাইন উপরে সিগন্যাল লাইন → ক্রয় সংকেত
- বেয়ারিশ ক্রসওভার: MACD লাইন নিচে সিগন্যাল লাইন → বিক্রি সংকেত
২.২ হিস্টোগ্রাম
- হিস্টোগ্রাম বড় হলে ট্রেন্ড শক্তিশালী
- হিস্টোগ্রাম ছোট হলে ট্রেন্ড দুর্বল বা রিভার্সাল সম্ভাবনা
২.৩ ডাইভারজেন্স
- প্রাইস নতুন হাই করছে, MACD হাই করছে না → ডাউনট্রেন্ড আসতে পারে
- প্রাইস নতুন লো করছে, MACD লো করছে না → আপট্রেন্ড আসতে পারে
টিপ: ডাইভারজেন্স ট্রেন্ড পরিবর্তনের সবচেয়ে শক্তিশালী সংকেত।
৩. ট্রেন্ড পরিবর্তন শনাক্ত করা
1. MACD লাইন এবং সিগন্যাল লাইন ক্রস
2. হিস্টোগ্রাম শূন্য রেখা অতিক্রম
3. ডাইভারজেন্স ঘটলে সাবধান হওয়া
উদাহরণ:
- EURUSD হাই → MACD হাই না → দাম হ্রাসের সম্ভাবনা
- GBPUSD লো → MACD লো না → দাম বাড়তে পারে
৪. MACD ব্যবহার করার টিপস
1. ছোট টাইমফ্রেমে অনেক ফেক সিগন্যাল আসতে পারে → বড় টাইমফ্রেমে বেশি নির্ভরযোগ্য
2. MACD + ট্রেন্ডলাইন বা MA মিলিয়ে ব্যবহার করলে সংকেত শক্তিশালী হয়
3. হিস্টোগ্রামের আকার ও রঙ দেখে ট্রেন্ডের শক্তি বোঝা যায়
- MACD ট্রেন্ডের দিক, শক্তি এবং সম্ভাব্য পরিবর্তন দেখায়
- ক্রসওভার → ক্রয় বা বিক্রি সংকেত
- ডাইভারজেন্স → সম্ভাব্য ট্রেন্ড রিভার্সাল
- ট্রেডাররা MACD ব্যবহার করে সঠিক এন্ট্রি ও এক্সিট পয়েন্ট নির্ধারণ করতে পারে
টিপ: MACD দিয়ে ট্রেন্ড পরিবর্তন বোঝার জন্য ডেমো একাউন্টে বিভিন্ন মার্কেটে প্র্যাকটিস করুন। এটি বাস্তব ট্রেডিংয়ে ঝুঁকি কমায় এবং সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে।
📢 শেয়ার করুন ও সাবস্ক্রাইব করুন
এই গাইডটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন যারা ট্রেডিং শিখতে চান!
🔔 সাবস্ক্রাইব করুন নতুন পোস্টের আপডেট পেতে।

Social Plugin