১. সক্রিয় ইমেইল বা মোবাইল নম্বর
- Binance অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে বৈধ ইমেইল ঠিকানা বা মোবাইল নম্বর লাগবে।
- ভেরিফিকেশন কোড প্রাপ্তির জন্য এটি ব্যবহার হয়।
নিশ্চিত করুন যে এটি আপনার ব্যক্তিগত এবং নিয়মিত ব্যবহৃত ইমেইল/মোবাইল।
২. পাসওয়ার্ড ও সিকিউরিটি কোড
- একাউন্ট সুরক্ষিত রাখতে শক্তিশালী পাসওয়ার্ড তৈরি করুন।
- লগইন ও লেনদেনের জন্য Two-Factor Authentication (2FA) ব্যবহার করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এটি হ্যাকিং বা স্ক্যাম থেকে অ্যাকাউন্টকে নিরাপদ রাখে।
৩. পরিচয়পত্র (KYC / Identity Verification)
Binance এ ভেরিফিকেশন করতে হয়, যা নিরাপদ লেনদেন নিশ্চিত করে। প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট:
- জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)
- পাসপোর্ট অথবা ড্রাইভিং লাইসেন্স
ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া শেষ হলে আপনি P2P ট্রেডিং ও Deposit/Withdrawal সুবিধা ব্যবহার করতে পারবেন।
৪. ঠিকানার প্রমাণ
- ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ঠিকানার প্রমাণ লাগতে পারে।
- উদাহরণ: Utility Bill, ব্যাংক স্টেটমেন্ট ইত্যাদি
ঠিকানার তথ্য স্পষ্ট এবং বর্তমান হতে হবে।
৫. ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট
- বাংলাদেশি ট্রেডাররা BDT দিয়ে USDT কিনতে P2P ব্যবহার করেন, তাই ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট অপরিহার্য।
- যেমন: bKash, Nagad, Rocket বা বাংলাদেশ ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট
P2P লেনদেনে টাকা পাঠানোর জন্য এটি ব্যবহার হয়।
৬. স্মার্টফোন বা কম্পিউটার
- Binance অ্যাপ (Android/iOS) অথবা ওয়েবসাইট ব্যবহার করতে হবে।
- সঠিক নেটওয়ার্ক কানেকশন থাকা জরুরি।
এটি অ্যাকাউন্ট ম্যানেজমেন্ট, লেনদেন ও ট্রেডিংয়ের জন্য অপরিহার্য।
সংক্ষেপে বলা যায়
Binance একাউন্ট খোলার জন্য প্রয়োজন—
1. বৈধ ইমেইল বা মোবাইল নম্বর
2. শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ও 2FA
3. পরিচয়পত্র (NID, পাসপোর্ট বা ড্রাইভিং লাইসেন্স)
4. ঠিকানার প্রমাণ (Utility Bill বা ব্যাংক স্টেটমেন্ট)
5. ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট (BDT লেনদেনের জন্য)
6. স্মার্টফোন বা কম্পিউটার
এই সমস্ত প্রস্তুতি থাকলে Binance-এ একাউন্ট খোলা সহজ ও ঝামেলামুক্ত হয়।
📢 শেয়ার করুন ও সাবস্ক্রাইব করুন
এই গাইডটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন যারা ট্রেডিং শিখতে চান!
🔔 সাবস্ক্রাইব করুন নতুন পোস্টের আপডেট পেতে।


Social Plugin