১. Deposit এবং Withdrawal সীমাবদ্ধ
- KYC ছাড়া USDT Wallet-এ Deposit সীমিত হয়
- P2P বা ফরেক্স অ্যাকাউন্টে ফান্ড ট্রান্সফার কঠিন বা অসম্ভব
- বড় পরিমাণ লেনদেন করতে সমস্যা হয়
KYC ছাড়া কার্যকরভাবে ট্রেডিং করা কঠিন হয়ে যায়।
২. P2P লেনদেন বন্ধ বা সীমিত
- Binance P2P ব্যবহার করতে হলে KYC বাধ্যতামূলক
- Buyer বা Seller হিসেবে লেনদেন করা সম্ভব হয় না
- বাংলাদেশি BDT দিয়ে USDT কেনা/বেচা বন্ধ থাকে
ফলে স্থানীয় ট্রেডাররা ফান্ড সংগ্রহের সবচেয়ে সুবিধাজনক পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারে না।
৩. অ্যাকাউন্ট নিরাপত্তা কমে যায়
- KYC না থাকলে Binance ব্যবহারকারীর পরিচয় যাচাই করতে পারে না
- হ্যাকিং বা স্ক্যাম হলে অ্যাকাউন্ট রিকভারি কঠিন হয়
- ফান্ড সুরক্ষা কম থাকে
নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে KYC বাধ্যতামূলক।
৪. লেনদেনের ঝুঁকি ও সীমাবদ্ধতা
- বড় পরিমাণ লেনদেন করা কঠিন
- আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী সীমাবদ্ধতা থাকে
- Withdraw/Transfer সীমিত হওয়ার কারণে মার্কেটের সুযোগ মিস হতে পারে
KYC না করলে ট্রেডারের জন্য ঝুঁকি ও সীমাবদ্ধতা বাড়ে।
৫. Binance Support সীমাবদ্ধ
- সমস্যা হলে Binance Support কেবল KYC-ভেরিফাইড ব্যবহারকারীর জন্য কার্যকর হয়
- KYC ছাড়া অভিযোগ বা লেনদেন সমস্যা সমাধান কঠিন
এটি বিশেষ করে নতুন ট্রেডারদের জন্য ঝুঁকি সৃষ্টি করে।
সংক্ষেপে বলা যায়
KYC না করলে—
1. Deposit ও Withdrawal সীমিত
2. P2P লেনদেন করা সম্ভব নয়
3. অ্যাকাউন্ট নিরাপত্তা কমে যায়
4. লেনদেনের ঝুঁকি এবং সীমাবদ্ধতা বেশি
5. Binance Support সীমিতভাবে সাহায্য করে
ফলে, বাংলাদেশি ট্রেডারদের জন্য KYC সম্পন্ন করা অপরিহার্য, যাতে তারা নিরাপদ, ঝামেলামুক্ত ও সীমাহীন ট্রেডিং করতে পারে।
📢 শেয়ার করুন ও সাবস্ক্রাইব করুন
এই গাইডটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন যারা ট্রেডিং শিখতে চান!
🔔 সাবস্ক্রাইব করুন নতুন পোস্টের আপডেট পেতে।


Social Plugin