১. KYC না করলে সীমাবদ্ধতা
- KYC ছাড়া Binance Account চালানো যায়, তবে Daily / Monthly Limit খুব কম
- P2P লেনদেনের ক্ষেত্রেও KYC ছাড়া বড় Amount Send / Receive করা সম্ভব নয়
- Withdraw / Deposit এবং Spot Wallet ব্যবহার সীমিত থাকে
অর্থাৎ, KYC ছাড়া কিছু লেনদেন করা সম্ভব হলেও বড় ট্রেড বা Frequent ট্রেডের জন্য বাধা থাকে।
২. P2P লেনদেনের বিকল্প
- কিছু ছোট Amount KYC ছাড়া P2P ট্রেড করা সম্ভব
- Buyer / Seller Rate, Limit এবং Verification Rate কম থাকায় ঝুঁকি বেশি হতে পারে
- KYC ছাড়া লেনদেন করলে Support / Dispute Handle করা কঠিন হয়
ছোট Transaction এ ব্যবহার করা যেতে পারে, তবে Risk Awareness থাকা জরুরি।
৩. KYC করার সুবিধা
- বড় Amount Buy / Sell করা যায়
- Withdraw / Deposit Limit বেড়ে যায়
- Support / Dispute দ্রুত সমাধান হয়
- Account Security ও Verification নিশ্চিত হয়
KYC করলে Personal & Regulatory Risk অনেক কমে।
সংক্ষেপে বলা যায়
- KYC ছাড়া ছোট Amount USDT Buy করা সম্ভব, তবে সীমাবদ্ধতা ও ঝুঁকি বেশি
- বড় Amount বা Frequent Transaction করতে KYC করা আবশ্যক
- KYC করা থাকলে P2P ও Spot Wallet সব ধরনের লেনদেন নিরাপদ ও সীমাহীন হয়
বাংলাদেশি ট্রেডারদের জন্য Best Practice হলো ছোট Amount KYC ছাড়া ট্রেড করা, কিন্তু বড় ট্রেড বা নিয়মিত ট্রেডের জন্য KYC সম্পূর্ণ করা।
📢 শেয়ার করুন ও সাবস্ক্রাইব করুন
এই গাইডটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন যারা ট্রেডিং শিখতে চান!
🔔 সাবস্ক্রাইব করুন নতুন পোস্টের আপডেট পেতে।


Social Plugin